• লিড নিউজ
  • জাতীয়

ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

‎বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

‎বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদিত ব্যাপক শ্রম আইন, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

‎প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পররাষ্ট্রনীতি উদ্যোগগুলোর কথাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে আসিয়ানের সদস্যপদ লাভে ঢাকার পরিকল্পনা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তা।

‎অধ্যাপক ইউনূস বলেন, সরকার ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিপুলসংখ্যক নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাবে এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরাও পর্যবেক্ষক পাঠাবে বলে তিনি আশাবাদী।

‎প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এটি হবে একটি উৎসবমুখর নির্বাচন। ভবিষ্যতে ভালো নির্বাচনের জন্য এটি একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে। আসুন, আমরা আঙুল ক্রস করে থাকি।’

‎জবাবে, চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণ করা রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেই বিজয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে তিনি আগ্রহী।

‎মার্কিন দূত অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়নের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং গত ১৮ মাসে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন নবপ্রণীত শ্রম আইনগুলোরও প্রশংসা করেন।

‎অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক কমানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে চলমান বাণিজ্য আলোচনা আরও শুল্ক হ্রাসের পথ সুগম করবে।

‎মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাণিজ্য আলোচনায় অগ্রগতিকে স্বাগত জানান এবং বলেন, কৃষিপণ্য বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঢাকা–ওয়াশিংটন আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে রয়ে গেছে।

‎অধ্যাপক ইউনূস দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে বসবাসরত এক মিলিয়নের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন।

‎দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা আসিয়ানের সদস্যপদ চাইছে এবং ইতোমধ্যে সংস্থাটির সঙ্গে সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপের জন্য আবেদন করেছে।

‎তিনি আরও বলেন, গত ১৮ মাসে তিনি সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, যাতে এ অঞ্চলের জনগণ ও অর্থনীতিকে আরও ঘনিষ্ঠ করা যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরবর্তী সরকার এই উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

‎বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়েও আলোচনা হয়, যা বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের ওপর আরোপ করা হয়েছে। এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য (০)





image

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান দেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্র...

নিউজ ডেস্কঃ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন...

image

আইসিজে-তে রোহিঙ্গাদের নিয়ে মিয়ানমারের মিথ্যাচার, বাংলাদেশ...

নিউজ ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের &l...

image

জাতিগত ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যই বাংলাদেশের বড় শক্তি: সুপ্রদীপ ...

নিউজ ডেস্কঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ...

image

স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ডেভেলপ করাই আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন...

নিউজ ডেস্কঃ প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্ত...

image

‎বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে: ...

নিউজ ডেস্কঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদ...

  • company_logo