• শিক্ষা

 কলেজ অধ্যক্ষকে মারধর ও লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

  • শিক্ষা

ছবিঃ সিএনআই

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগরে নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে মারধর, লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত সমাবেশ হয়েছে। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে কলেজের সামনে থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি সুজানগর বাজার ও উপজেলা চত্বর ঘুরে পৌরসভার সামনে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
 
সমাবেশে বক্তব্য দেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবিএম তৌফিক হোসেন, সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা কামাল বিশ্বাস, সদস্য সচিব জসিম বিশ্বাস ,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মোল্লা সহ কলেজের শিক্ষকবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, কলেজে ঢুকে অধ্যক্ষকে মারধরের ঘটনা ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়। সভ্য সমাজে এরকম কাজ মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে দোষীদের বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তারা।

উল্লেখ্য, সুজানগর উপজেলার নিজাম উদ্দিন আজগর আলী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি মনোনীত করাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় বিএনপির একাধিক গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম সাজ্জাদকে সভাপতি হিসাবে নাম নির্বাচিত করার জন্য তাদের সমর্থকরা কলেজ অধ্যক্ষকে চাপ দিয়ে আসছিলেন।

এ অবস্থায় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম নিজাম উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে ব্যবসায়ী শহিদুর রহমানের নাম সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করে এক সপ্তাহ আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায় কলেজ কর্তৃপক্ষ। সভাপতি হিসেবে শহিদুর রহমানকে মেনে নেন বিএনপি নেতা কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও আব্দুল হালিম সাজ্জাদের  সমর্থকরা।

তবে এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব সমর্থকরা এ বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। গত ৮ ডিসেম্বর দুপুরে সেলিম রেজা হাবিব পক্ষের অনুসারীরা শহিদুর রহমানের নাম বাদ দিয়ে নতুন করে এ কে এম সেলিম রেজা হাবিবের নাম পাঠানোর জন্য চাপ দেয় অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে। রাজি না হওয়ায় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে ও ভাঙচুর চালায় হাবিবের অনুসারীরা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষকে উদ্ধার করেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত অধ্যক্ষ বা তার সহকর্মী-স্বজন কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেননি।’

মন্তব্য (০)





image

নওগাঁর ১৯ প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করেনি কোন শিক্ষার্থী

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় নওগাঁর ৭টি উপজেলার...

image

পরীক্ষা ছাড়াই একাদশে ভর্তি, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর

নিউজ ডেস্ক : একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে এবারও পরীক্ষা নেই। ফলাফল...

image

শিক্ষক ১৪ জন, পরীক্ষার্থী ৫; দাখিলে সবাই ফেল

গাজীপুর প্রতিনিধি: দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র পাঁচজন। তাই ফল প্রকাশের প...

image

‎প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগ, গহীন পাহাড়ে আবারও বাজব...

নিউজ ডেস্কঃ পার্বত্য বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নয়াপাড়া...

image

১৩০০ নম্বরের মধ্যে ১২৬২ পেয়ে কক্সবাজারে প্রথম মুনতাকা

নিউজ ডেস্কঃ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা...

  • company_logo