• অপরাধ ও দুর্নীতি

ফটিকছড়িতে টাকা চুরি করে শেষ রক্ষা হলোনা ৫ কিশোরের

  • অপরাধ ও দুর্নীতি
  • ১০ জুন, ২০২২ ১২:০৯:০৭

প্রতীকী ছবি

জিপন উদ্দিন,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে একটি কাপড়ের দোকান থেকে রাতের আধারে গ্রীল কেটে ২ লাখ ৪০হাজার টাকা চুরি করে ৫সদস্যের একটি কিশোর দল। তবে কৌশলে ৫সদস্যের দলটি টাকা গুলো চুরি করলেও পুলিশের কৌশলের কাছে ধরা পড়ে এ চোরের দলটি। 

ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৭ মে দিবাগত রাত থেকে ২৮মে সকালের মধ্যে ফটিকছড়ি সদর বিবিরহাট বাজারের মোহাম্মদ ঈমাম হোসেনের শাহ নূর ক্লথ স্টোর নামক এক কাপড়ের দোকানে।

ঘটনার পর দোকানের মালিক অজ্ঞাতনামা মামলা দায়ের করলে বাদীর দেয়া তথ্য মতে ফটিকছড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার এসএম সোহেল কুদ্দুসের নেতৃত্বে প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরে ১লাখ ৬১ হাজার সহ ৩জনকে গত ৫ এবং ৬জুন গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার মামলা নং ৫, ধারাঃ ৪৫৭/৩৮০।

মামলার আসামিরা হলেন, গ্রেফতারকৃত পাইন্দং ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের হাইদচকিয়া গ্রামের ছমদ বাড়ির মেজবাহ উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (১৭), সে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী, তার কাছ থেকে চুরির ৮৯ হাজার টাকা এবং বাকি ৪০হাজার তার বাবার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ধুরুং আব্দুল গণি টেন্ডল বাড়ির রহমত খানের ছেলে মোহাম্মদ সাকিব, সে ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী, তার কাছ থেকে ১৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়, সে ২৮হাজার টাকা চুরির ভাগ পেয়েছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়। বিবিরহাট স্কয়ার টাওয়ার সংলগ্ন বার আউলিয়া টাওয়ার এর বাসীন্দা মোহাম্মদ সাঈদুল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ সাঈদ (১৭), সে ১০শ্রেণির শিক্ষার্থী, তার কাছ থেলে ১৯হাজার টাকা উদ্ধার করা, সে ২৮হাজার টাকা চুরির টাকার ভাগ পেয়েছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়। 

এছাড়াও মোহাম্মদ সাব্বির (১৬) চুরি হওয়া দোকানের কর্মচারী ও আবু সাঈদ (১৭) তারা দু'জনে এখনো পলাতক। আটককৃতদের দেয়া তথ্য মতে সাব্বির ২৬ হাজার এবং আবু সাঈদ ২৮হাজার টাকা চুরির ভাগ পায়।

এ ব্যাপারে দোকানের মালিক ঈমাম হোসেন বলেন, ঘটনার আগের দিন রাতে শহরের পাটি কে সকালে টাকা দিতে হবে বলে টাকা গুলো বাড়ি না নিয়ে শাড়ির ভাজের ভিতরে রেখে দিই। ওইসময় আমার খালাতো ভাই সহ কিছু ছেলে দাড়ানো ছিল মার্কেটে। টাকা চুরির পর পুলিশকে দেয়া সে তথ্য মতে তাদের কাছ থেকে চুরির টাকা গুলো পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার এসএম সোহেল কুদ্দুস বলেন, বাদীর দেয়া তথ্যমতে আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৌশলে টাকা চোরদের ধরতে সক্ষম হয়েছি। চোরদের মধ্যে ৩জন কারাগারে এবং বাকি ২জন পলাতক আছে।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী মাসুদ ইবনে আনোয়ার বলেন, ৩চোরকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।টাকা চুরির সাথে জড়িত সবাই স্কুল শিক্ষার্থী। তারা এখনো কিশোর। এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। পরিবারের উচিৎ তাদের ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজের বাইরে কোথায় যাচ্ছে তার খোঁজ রাখা। 

 

 

মন্তব্য ( ০)





  • company_logo