• আন্তর্জাতিক

নেপালের সহিংসতা তদন্তে নাম আসা পাকিস্তানি ধর্মীয় বক্তার ফের বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা

  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : নেপালে প্রাণঘাতী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর যে পাকিস্তানি ধর্মীয় বক্তার চলাফেরা নিয়ে তদন্তের খবর প্রকাশিত হয়েছিল, তাঁকে উত্তর বাংলাদেশে একাধিক ধর্মীয় সমাবেশে বক্তা হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। এর আগে বাংলাদেশে তাঁর প্রচারমূলক সফরগুলো তাঁকে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও আয়োজকদের প্রতিষ্ঠিত একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

পাকিস্তানি ধর্মীয় বক্তা মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস ঘুমানকে আগামী ৬ নভেম্বর রাজশাহী শহরের কাছের মিয়াপুরে এবং ৭ নভেম্বর পার্শ্ববর্তী নওগাঁ জেলার পোরশায় দুই দিনব্যাপী একটি ইসলামী সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এই সফরসূচি বাস্তবায়িত হলে তাঁকে আবারও দেশের এমন একটি অঞ্চলে যেতে দেখা যাবে, যা গত আগস্টে প্রকাশিত তাঁর বাংলাদেশ সফরের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এ সফরের পরিকল্পনা এমন সময় সামনে এসেছে, যখন ভারতীয় ও নেপালি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জুলাই মাসে নেপালের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী এলাকায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আগে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা ঘুমানের সফর ও বৈঠকগুলো খতিয়ে দেখেছিল।

প্রাণঘাতী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর নেপালি গোয়েন্দাদের তদন্তের খবর প্রকাশিত হওয়ার কয়েক মাস পর ঘুমানকে আবারও উত্তর বাংলাদেশে ধর্মীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার জন্য প্রচার করা হচ্ছে।

তাঁর সম্ভাব্য এসব সফর ঘিরে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কী ধরনের যাচাই-বাছাই করেছে, নেপালের কাছ থেকে কী তথ্য চেয়েছে এবং তাঁর সফর আয়োজনের দায়িত্ব কারা পালন করছে?

এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য কেবল একটি বিতর্কিত সফরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

এসব তথ্য বাংলাদেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে তাঁর প্রতিষ্ঠিত সম্পর্ক, বারবার ধর্মীয় বক্তব্য দেওয়ার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং আহমদিয়া সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের দাবিতে ঢাকায় আয়োজিত একটি সমাবেশে তাঁর উপস্থিতির বিষয়টি তুলে ধরে।

বাংলাদেশে তাঁর প্রভাব পর্যালোচনার ক্ষেত্রে এই ইতিহাস আরও সুস্পষ্ট ভিত্তি তৈরি করে।
বাংলাদেশে নিয়মিত সফরের নেটওয়ার্ক
বাংলাদেশি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নেপাল-সংক্রান্ত বিতর্কের আগেও ঘুমানের বাংলাদেশ সফরের ইতিহাস রয়েছে।

২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর ধর্মীয় সংবাদমাধ্যম ‘আওয়ার ইসলাম’ জানায়, আগের বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরের পর তিনি আবারও দেশে ফিরেছেন।

প্রতিবেদনটিতে তাঁর সফর ব্যবস্থাপনা ও তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আল-মারকাজুল ইসলামির নাম উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে আল-মারকাজুল ইসলামির চেয়ারম্যান হামজা শহিদুল ইসলামের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ঘুমানের সফরের আয়োজন সম্পর্কে জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রামের জিরি মাদ্রাসায় তাঁর প্রথম কর্মসূচি ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০২৬ সালের আগস্টে একই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি সফরসূচিতে আরও বিস্তৃত কর্মসূচির কথা জানানো হয়। এতে ঢাকা ও দেশের কয়েকটি জেলায় ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ ছিল। জেলাগুলোর মধ্যে ছিল রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া ও পাবনা।

সফরসূচি অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট রাজশাহীর কাটাখালীতে জামিয়া উসমানিয়া এবং ২৭ আগস্ট পোরশার জামিয়া ইসলামিয়া দারুল হিদায়ায় তাঁর কর্মসূচি ছিল। এ ছাড়া আল-মারকাজুল ইসলামির আয়োজনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথাও প্রচার করা হয়েছিল।

নভেম্বরের কর্মসূচিতে ৬ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টায় মিয়াপুরে একটি মাদ্রাসাসংলগ্ন মাঠে অষ্টম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে। জামিয়া ইসলামিয়া জামিরিয়া দারুল কোরআন এ মাহফিলের আয়োজন করছে। পাশাপাশি ৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান পোরশার সম্মেলনেও ঘুমানের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

আগে প্রকাশিত সফরসূচিটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে নওগাঁ জেলার একটি উপজেলা পোরশা তাঁর জন্য নতুন কোনো গন্তব্য নয়; বরং বারবার সফরসূচিতে থাকা একটি স্থান।

সাবেক আফগান জিহাদে অংশগ্রহণকারী

পাকিস্তানের সারগোধায় অবস্থিত মার্কাজ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সঙ্গে ঘুমানের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

২০০২ সালে তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ধর্মীয় শিক্ষা, বিশেষায়িত পাঠক্রম, অনলাইন কোর্স এবং আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি।

আহনাফ মিডিয়ায় প্রকাশিত তাঁর পুরোনো একটি উর্দু ভাষার পরিচিতিমূলক প্রতিবেদনে তাঁর অতীত সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

প্রশংসাসূচক ভাষায় লেখা ওই পরিচিতিতে বলা হয়েছে, ধর্মীয় শিক্ষাজীবনের সময় ঘুমান আফগান জিহাদে অংশ নিয়েছিলেন।

এতে ১৯৯৬ ও ১৯৯৯ সালে তাঁর গ্রেপ্তারের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে উভয় মামলাতেই তিনি খালাস পান।
নেপাল-সংক্রান্ত অভিযোগ
জুলাইয়ের ২৬ তারিখ সুনসারিতে সহিংসতার পর ঘুমানের চলাফেরা নিয়ে নেপালি গোয়েন্দারা তদন্ত করছেন বলে আগস্টে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়।

গোয়েন্দাদের একটি প্রাথমিক মূল্যায়নে স্পর্শকাতর সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ঘুমান এবং কাঠমান্ডুর একটি মসজিদের ইমাম মুফতি আবু বকর কাসমির উপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তী সময়ে নেপালি গণমাধ্যমে ঘুমানের সঙ্গে হরকাতুল মুজাহিদিন, হরকাতুল আনসার ও হিজবুল মুজাহিদিনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এতে নেপালের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কথিত বৈঠক এবং সফরকারী বাংলাদেশি ধর্মীয় বক্তাদের ওপর নজরদারির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
সাম্প্রদায়িক মেরুকরণে সম্পৃক্ততার নথিভুক্ত যোগসূত্র
বাংলাদেশে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আরও সরাসরি নথিভুক্ত উদ্বেগের বিষয়টি ধর্মীয় পরিচয়ের রাজনৈতিক ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে ঘুমানকে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত একটি সমাবেশে অংশ নেওয়া বিদেশি ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের একজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সমাবেশ থেকে আয়োজকেরা আহমদিয়াদের অমুসলিম সংখ্যালঘু হিসেবে ঘোষণা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

আহমদিয়ারা নিজেদের মুসলিম হিসেবে পরিচয় দেন। তবে এ ধরনের প্রচারণার পেছনে থাকা ধর্মীয় বক্তারা তাঁদের বিশ্বাসকে প্রত্যাখ্যান করেন।

ওই সমাবেশ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ, স্মারকলিপি প্রদান এবং আরও সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে বছরব্যাপী একটি কর্মসূচি শুরু করা হয়। সমাবেশের আগে আহমদিয়া মুসলিম জামাতের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি চিঠি পাঠানোর কথাও সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। চিঠিতে সংগঠনটির সদস্যদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

এতে ঘুমানের এমন একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয়টি উঠে আসে, যার আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের স্বীকৃত পরিচয়ের ওপর রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধ আরোপের দাবি আদায় করা।

বাংলাদেশে তাঁর প্রকাশ্য ভূমিকা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক। এখানে প্রশ্নটি শুধু একজন বিদেশি ধর্মীয় বক্তা কোনো ফৌজদারি অপরাধ করেছেন কি না, তা নিয়ে নয়; বরং প্রভাবশালী বিভিন্ন মঞ্চ একটি ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বঞ্চনা ও ভীতির মুখে ফেলতে পারে, এমন প্রচারণাকে বৈধতা দিতে সহায়তা করছে কি না, সেটিও বিবেচ্য।

স্থানীয়ভাবে প্রচারিত পোস্টারগুলোতে তিন দিনব্যাপী ধারাবাহিক ধর্মীয় কর্মসূচির বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

পোস্টারে রাজশাহীর ব্যবসায়ী আবদুল কাইয়ুম শাহকে প্রধান অতিথি, ধর্মীয় বক্তা শহিদুল ইসলামকে সভাপতি এবং ইত্তেদাল ফাউন্ডেশন রাজশাহীকে আয়োজক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্য একটি পোস্টারে ৭ ও ৮ নভেম্বর নওগাঁর পোরশার প্রধান মাঠে দুই দিনব্যাপী ইসলামী সম্মেলনের প্রচার করা হয়েছে। বিকেলের আসরের নামাজের পর থেকে ভোর পর্যন্ত এ সম্মেলন চলার কথা রয়েছে।

ইসলামী সম্মেলন সংস্থা, পোরশার আয়োজনে অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনের প্রথম দিনের প্রধান বক্তা হিসেবে ঘুমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় দিনের প্রধান অতিথি হিসেবে রাখা হয়েছে বাংলাদেশের ইসলামপন্থি নেতা মামুনুল হককে। উভয় অনুষ্ঠানেই স্থানীয় ও সফরকারী আরও কয়েকজন ধর্মীয় বক্তার অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

মামুনুলের অন্তর্ভুক্তি কর্মসূচিতে আরেকজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্বকে যুক্ত করেছে। তিনি বাংলাদেশের ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা এবং দেশের রক্ষণশীল মাদ্রাসাভিত্তিক আন্দোলন হেফাজতে ইসলামের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা। ২০২০ সালে প্রকাশ্যে ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতার মাধ্যমে তিনি আলোচনায় আসেন।

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভাস্কর্য নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে বিতর্কের সময় মামুনুল বলেছিলেন, তাঁর আইনগত, নৈতিক ও রাজনৈতিক সক্ষমতা থাকলে তিনি সব ভাস্কর্য অপসারণের উদ্যোগ নেবেন।

তাঁর এই অবস্থান ভাস্কর্য নিয়ে ধর্মীয় আপত্তিকে দেশের জনপরিসরের সংস্কৃতি ও জাতীয় স্মরণানুষ্ঠান ঘিরে সংঘাতের কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

২০২১ সালের মার্চে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শাল্লায় হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার আগের ঘটনাপ্রবাহেও তাঁর নাম উঠে এসেছিল। ফেসবুকে একজন হিন্দু বাসিন্দা তাঁর বক্তব্যের সমালোচনা করার পর একদল লোক নোয়াগাঁও গ্রামে হামলা চালিয়ে বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করে।

পুলিশ হামলাকারীদের হেফাজতের সমর্থক হিসেবে শনাক্ত করেছিল। তবে সংগঠনটি ওই ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে। ঘটনাটি দেখিয়ে দেয়, একজন প্রভাবশালী ধর্মীয় বক্তার সমালোচনা কীভাবে একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সংঘবদ্ধ প্রতিশোধমূলক হামলার উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে।

২০২৪ সালে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর সরকারের একটি অংশের সমর্থনে মামুনুল আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০২৬ সালের শুরুর দিকে তাঁর নির্বাচনী হলফনামা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি নিষ্পত্তি হওয়া ৩৮টি মামলার তথ্য প্রকাশ করেছিলেন, যেগুলোর পরিণতি হয়েছিল প্রত্যাহার অথবা খালাস। এ ছাড়া বিস্ফোরক আইন ও দণ্ডবিধিসংশ্লিষ্ট মামলাসহ তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা তখনও চলমান ছিল।

২০২১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরবিরোধী আন্দোলনেও মামুনুল হক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তাঁকে পোরশার সম্মেলনে অন্তর্ভুক্ত করার ফলে অনুষ্ঠানটির সঙ্গে প্রচারিত ধর্মীয় কর্মসূচির বাইরেও সংগঠিত ইসলামপন্থি রাজনীতির একটি যোগসূত্র তৈরি হয়েছে।

মন্তব্য (০)





image

ইসরায়েলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের কথা ভাবছে নেতানি...

১

নিউজ ডেস্ক : ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে কোনো জোটই...

image

সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা

২

নিউজ ডেস্ক : সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় অঞ্চ...

image

‘ইরানকে এতটাই শক্তিশালী হতে হবে, যাতে শত্রুরা তাকানোর সাহ...

৩

নিউজ ডেস্ক : ইরানের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় পরি...

image

ইরানে হামলার তারিখ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

৪

নিউজ ডেস্ক : ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা সামনে রেখে উপসাগ...

image

নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিরোধীদের নতুন ছক

৫

নিউজ ডেস্ক : ইসরাইলের নির্বাচনে কোনো দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠত...

  • company_logo