• সমগ্র বাংলা

বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর উপজেলার দত্তপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশমুখের দীর্ঘদিনের বেহাল সড়ক নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হয়েছে সংস্কার কাজ। কর্তৃপক্ষের এমন দ্রুত ও ইতিবাচক পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরেছে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল থেকে নড়াইল সদর উপজেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের বাস্তবায়নে সড়কটি মেরামতের কাজ শুরু হয়। বিদ্যালয় প্রবেশমুখের খানাখন্দে ভরা দীর্ঘদিনের বেহাল অংশটিতে বালু ভরাট করে ইটের সলিং দেওয়ার কাজ বর্তমানে পুরোদমে চলছে।

স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দত্তপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের প্রায় ১০০ গজ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রকার সংস্কার না করায় মারাত্মক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে চলতি বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটিতে হাঁটু সমান কাদা ও পানি জমে এক অবর্ণনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন এই কাদা-পানি পেরিয়েই ঝুঁকি নিয়ে শত শত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পথচারীদের যাতায়াত করতে হচ্ছিল। চরম জনদুর্ভোগের এই বাস্তব চিত্র তুলে ধরে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি নজরে আসার পরপরই নড়াইল সদর উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সংবাদ প্রকাশের পরদিন সকালেই ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা হয়।

এমন দ্রুত পদক্ষেপে চরম সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় এলাকাবাসী। দত্তপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি তারিকুজ্জামান লিটু জানান, “দীর্ঘদিন ধরে প্রধান ফটকের এই সড়কটির করুণ দশার কারণে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল। এই মানবিক ও জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যাটি গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরায় আমি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

এদিকে সড়কটিতে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও এটি যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থায়ীভাবে পাকা করে চলাচলের পুরো উপযোগী করা হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দারা।

মন্তব্য (০)





  • company_logo