ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এবার পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁস বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে তাৎক্ষণিকভাবে আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (১ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষা-সংক্রান্ত আইন সংশোধন করে প্রশ্নপত্র ফাঁস, জালিয়াতি বা পরীক্ষা-সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট যে-ই অনিয়মে জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি জানান, এবার উত্তরপত্র মূল্যায়ন ব্যবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে পরীক্ষার্থীরা শুধু নম্বর পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ পেলেও এখন প্রয়োজন হলে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড থেকে নমুনা উত্তরপত্র সংগ্রহ করে পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে। পরীক্ষকরা অতিরিক্ত বা কম নম্বর দিচ্ছেন কিনা, তা যাচাই করা হবে। এজন্য পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা এবং একজন পরীক্ষকের ওপর উত্তরপত্রের চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগপূর্ণ এলাকার প্রস্তুতির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কোথাও বন্যা বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অকারণে পরীক্ষা স্থগিত করার পক্ষে সরকার নয়।
পরীক্ষার্থী কমে যাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না, তা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কারণগুলো চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ডিজিটাল প্রশ্নপত্র চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, উন্নত দেশেও ডিজিটাল পরীক্ষা ব্যবস্থায় হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। তাই বর্তমান বাস্তবতায় প্রচলিত ব্যবস্থার নিরাপত্তা আরও জোরদার করাই সরকারের অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তায় বিদ্যমান দুর্বলতাগুলো দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া এবার সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় উত্তরপত্র মূল্যায়নেও অভিন্ন মান নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা, প্রশিক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার না করতে হবে। কারণ এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সবার সহযোগিতায় এবারও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ...
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বস্ত্র, ওষুধ ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদে...
নিউজ ডেস্কঃ চলতি জুলাই মাসে ১১ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্য...
নিউজ ডেস্কঃ দেশের শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের দ...
নিউজ ডেস্কঃ ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ...

মন্তব্য (০)