• বিনোদন

ঐশ্বরিয়ার মুকুটে নয়া পালক, ফের কেন চর্চায় অভিনেত্রী?

  • বিনোদন

ছবিঃ সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক : কান উৎসব অসম্পূর্ণ তার উপস্থিতি ছাড়া। পঞ্চাশোর্ধ সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের গ্ল্যামারের ছটায় আজও মুগ্ধ আট থেকে আশি। কেন বিশ্বমঞ্চে এতটা প্রাসঙ্গিক তিনি, আবার প্রমাণ করলেন কান উৎসবে রাই সুন্দরী।

বলিপাড়ার অলিগলিতে কান পাতলেই শোনা যায়, এখন বলি অভিনেতা অভিষেক বচ্চন আর ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে নানাবিধ গুঞ্জন। বচ্চন পরিবারের অন্দরে ঠিক কী চলছে, তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝেও। তবে এসব পারিবারিক জল্পনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বমঞ্চে আবারও নিজের রাজকীয় আধিপত্য প্রমাণ করলেন সাবেক এ বিশ্বসুন্দরী।

জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের মতো বিলাসবহুল আন্তর্জাতিক হোটেল চেইনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন বুঝিয়ে দিলেন— রাই সুন্দরীর গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু আজও আকাশছোঁয়া। আর অভিনেত্রীর এই নয়া আন্তর্জাতিক সাফল্যের পরই নেটপাড়ায় নতুন করে শুরু হয়ে গেছে স্বামী-স্ত্রীর সম্পত্তির তুলনামূলক ব্যবধান।

একক সম্পত্তির নিরিখে অভিষেক বচ্চনের চেয়ে নাকি কয়েক গুণ এগিয়ে রয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেট থেকে শুরু করে লরিয়াল কিংবা লঞ্জিনের মতো ব্র্যান্ডের বিশ্বজনীন মুখ হওয়ার সুবাদে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের একক উপার্জন বলিপাড়ার বহু প্রথম সারির নায়ককেও টক্কর দেয়। জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের এই নতুন চুক্তি তার ঝুলিতে আসার পর আর্থিক গ্রাফ যে আরও উঁচুতে চড়ল, তা বলাই বাহুল্য। 

ঐশ্বরিয়ার আনুমানিক মোট সম্পত্তি প্রায় ৮০০ থেকে ৮৫০ কোটি টাকা। অন্যদিকে অভিষেক বচ্চনের একক সম্পত্তির পরিমাণ ২৮০ কোটির আশপাশে।

অভিষেক বচ্চনের নিজস্ব উপার্জনের বড় একটি অংশ আসে তার অভিনীত সিনেমা, ওটিটি প্রজেক্ট এবং নায়কের মালিকানাধীন প্রো-কাবাডি টিম 'জয়পুর পিঙ্ক প্যান্থার্স' ও আইএসএল ফুটবল টিম 'চেন্নাইয়িন এফসি' থেকে। 

বচ্চন পরিবারের অমিতাভ বচ্চনের বিপুল সম্পত্তি কিংবা ঐতিহ্যবাহী বাংলো 'জলসা'র উত্তরাধিকারী হিসেবে অভিষেকের ভবিষ্যৎ আর্থিক ভিত্তি অত্যন্ত সুদৃঢ় হলেও স্রেফ নিজস্ব একক উপার্জনের খতিয়ানে স্ত্রী ঐশ্বরিয়া প্রায় তিনগুণ এগিয়ে।

ঐশ্বরিয়ার এই বিপুল আয়ের বেশিরভাগই আসে তার দীর্ঘকালীন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড চুক্তিগুলো থেকে। নতুন জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের ক্যাম্পেন তার গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালুকে এক ধাক্কায় আরও অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বলিপাড়ার বোদ্ধাদের মতে, অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ যাই হোক না কেন, গ্ল্যামার দুনিয়ার বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যে রাই সুন্দরী যে আজও একচ্ছত্র রানি, এ খবর যেন সেটাই আরও একবার প্রমাণ করে দিল। 

১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জেতার পর হিন্দি ও তামিল সিনেমার অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠা ঐশ্বরিয়ার ক্যারিয়ারের এতগুলো বছর পেরিয়েও যে তার গ্ল্যামার আর আন্তর্জাতিক চাহিদা একফোঁটাও কমতে দেননি, জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের এই মেগা ঘোষণাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ!

মন্তব্য (০)





  • company_logo