ছবিঃ সিএনআই
নড়াইল প্রতিনিধি : সরকারি রাজস্ব ফাকি দিয়ে নড়াইলের মুলিয়া ইউনিয়নের মুলিয়া পানতিতা খেয়াঘাট দীপক বিশ্বাস ও অংশ নামে স্থানীয় দুই মাঝিকে বরাদ্দ দিয়ে বিএনপি অফিস করার নামে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে মুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিকের বিরুদ্ধে।
সরজমিন মুলিয়া খেয়াঘাট গিয়ে জানা যায়, মুলিয়া ইউনিয়নের পানতিতা গ্রামের রতন বিশ্বাস নামে এক মাঝি সরকারি বিধি মেনে খেয়াঘাট ইজারা নিয়ে যাত্রী পারাপার করতেন।
আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে সরকারি কোনো বিধি না মেনে পেশিশক্তির প্রভাব বিস্তার করে রতন বিশ্বাসকে উচ্ছেদ করে দেয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক। পরে ইউনিয়ন বিএনপির অফিস করার নাম করে পানতিতা গ্রামের দীপক বিশ্বাস ও অংশের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের খেয়াঘাটের দায়িত্ব দেয়। তবে বিএনপির অফিস করার নামে চাঁদা নেওয়া হলেও, হয়নি বিএনপি অফিস।
খেয়াঘাটের আগের মাঝি রতন বিশ্বাস বলেন, আমি গরিব মানুষ বাপু। সরকারি খাস জমিতে বসবাস করি। আমার কোনো জায়গা জমি নেই। এই ঘাটে নৌকায় যাত্রী পারাপার করে সংসার চালাতাম। আমার কাছে মুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক ৫০ হাজার টাকা চাঁদা চায়ছিলো আমি দিতে না পারায় আমাকে এখান থেকে তাড়িয়ে দেছে। বৌ ছেলে মেয়ে নিয়ে এখন খুব কষ্টে আছি।
এদিকে নতুন মাঝি অংশ বলেন, মুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক ও বিএনপির কয়েকজন নেতা বসে আমাকে ও দীপক বিশ্বাসকে এই ঘাট দিয়েছে। পরে ইউনিয়নে বিএনপির অফিস করবে বলে আমাদের কাছ থেকে মুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক ৫০ হাজার টাকা নিছে। তিনি আরও বলেন, পরর্বতীতে বিএনপির নেতারা আরো ৭০ হাজার টাকা নিয়ে আমাকে বাদ দিয়ে শুধু দীপক বিশ্বাসকে ঘাটের দায়িত্ব দিছে।
মুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিন্দ্রনাথ অধিকারী বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় আমি ঘাট ইজারা দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দেই। তখন সরকারের রাজস্ব ফাকি দেওয়া হচ্ছে মর্মে দীপক বিশ্বাস নামে একজন জেলা প্রশাসক বরাবর একটি দরখাস্ত দেয়। পরে আমাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে ডাকে। তখন ইউনিয়ন পরিষদ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইজারা দিতে পারবে সেই সব কাগজপত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করি। এরপরে স্থানীয় এবং জেলার কয়েকজন বিএনপি নেতা বসে দীপক বিশ্বাসকে ঘাটের দায়িত্ব দেয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পলাশ মল্লিক বলেন, অফিস করার জন্য ৫০ হাজার টাকা নিছিলাম। সেই টাকা আমার কাছে রয়েছে। বিএনপি অফিস করার জন্য রাজস্ব ফাকি দিয়ে আপনি চাঁদা নিতে পারেন কি না জানতে চাইলে ঝামেলায় আছি বলে ফোন কেটে দেন তিনি।
নড়াইল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন,মলিয়া পানতিতা খেয়া ঘাটের বিষয়টা আমরা জেনেছি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
নিউজ ডেস্ক : খুলনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপি অফিসের ভেতরে ...
নিউজ ডেস্ক : চট্টগ্রামে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাকলি...
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার গাজীখালী ন...
বগুড়া প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহরের প্রাণ...
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ত্রাসের রাজত্ব কা...

মন্তব্য (০)