• লিড নিউজ
  • জাতীয়

‎বর্ষাকালীন ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত: আউশ ও আমন উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব ‎

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বর্ষাকালীন নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদনের আওতায় বিভিন্ন ফসলের চাষ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

‎সম্প্রতি কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

‎খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সভায় আউশ ও আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুমোদিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, আউশ ধানের মোট আবাদি জমির লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ২২৪ লাখ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৩০ হাজার ৪৮২ লাখ মেট্রিক টন (চাল) নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উচ্চফলনশীল (উফশী) জাতের আবাদ হবে ৯ হাজার ২১২ লাখ হেক্টর জমিতে।

‎কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, খরিফ মৌসুমের অন্যতম প্রধান ফসল রোপা আমনের জন্য ৫৭ হাজার ৯০৮ লাখ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৭ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ৫৯ হাজার ৩৪২ লাখ হেক্টর জমিতে বোনা আমন আবাদের বিপরীতে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৯ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।

‎কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ-১ শাখার উপসচিব মুহাম্মদ শহীদ উল্লাহ বাসস’কে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, শুধু ধান বা চাল নয়, পাট, ভুট্টা, সবজি ও ডাল জাতীয় ফসলের লক্ষ্যমাত্রাও সভায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকার ৭ হাজার ৮৩ লাখ হেক্টর জমিতে পাট আবাদের মাধ্যমে ৮৩ হাজার ২১৫ লাখ বেল পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

‎এছাড়া গ্রীষ্মকালীন ভুট্টা ও সবজি ০.৯৮৭ লাখ হেক্টর জমিতে ভুট্টা এবং ৫ হাজার ৮৫৮ লাখ হেক্টর জমিতে খরিফ সবজি আবাদের পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।

‎ডাল, তেলবীজ, মুগ, মাসকলাই, চিনাবাদাম ও তিল চাষের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাছাড়া কাঁচামরিচ আবাদের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৩০৭ লাখ মেট্রিক টন।

‎লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন কীভাবে হবে জানতে চাইলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুর রহীম বাসস’কে বলেন, সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। পরিকল্পনা অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এলাকাভিত্তিক মনিটরিং করা হবে। লক্ষ্যমাত্র শতভাগ বাস্তবায়নে তিনি আশাবাদী।

‎মহাপরিচালক আরও বলেন, গুণগত মানসম্পন্ন বীজের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনে সম্পূরক সেচ ব্যবস্থার ওপর আমরা গুরুত্বারোপ করেছি। যাতে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ফসলের আবাদ নিশ্চিত করা যায়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. সেলিম খান বাসস’কে বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পর্যাপ্ত বীজ ও সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সচেষ্ট থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া বস্তায় আদা চাষ জনপ্রিয় করার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‎কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ বাসস’কে বলেন, আবাদি জমির পরিমাণ বাড়াতে এবং অনাবাদি পতিত জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি নতুন প্রযুক্তি ও উৎপাদন কৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে ভার্টিক্যালি বা উল্লম্বভাবে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

‎প্রসঙ্গত, কৃষি বিষয়ক যেকোনো সমস্যায় কিংবা পরামর্শ পেতে চাইলে কৃষকরা ১৬১২৩ নাম্বারে ফোন করতে পারেন। সেখান থেকে বিনামূল্যে কৃষদেরকে পরামর্শ বা বিশেষায়িত সেবা দেওয়া হয়। এই নাম্বারে ফোন কল করতে টাকা খরচ হয় না।

মন্তব্য (০)





image

‎দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করে এগিয়ে নিতে কাজ করছে বিএ...

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব এবং স...

image

‎দেশ ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে ইউএনও...

নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও...

image

‎সরকার বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ত...

নিউজ ডেস্কঃ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খান...

image

ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিনিয়োগকারীরা আসতে চান:...

নিউজ ডেস্কঃ চীন, ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিনিয়োগকা...

image

জ্বালানি আমদানিতে জনস্বার্থ ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে অগ্রাধ...

নিউজ ডেস্কঃ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, বেসরকারি প...

  • company_logo