• জাতীয়

‎৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন অভিযুক্ত মঈন

  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজির ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মঈন উদ্দিন পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ। চাঁদা না দেওয়ায় মঈন উদ্দিন ও তার সহযোগীরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে চরম ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলেন। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে র‍্যাব অভিযান চালিয়ে মূলহোতা মঈনসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানান তিনি।

‎সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রমনা পার্কে বাংলা নববর্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

‎গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করে র‍্যাব জানায়, প্রধান আসামি মঈন উদ্দিন ছাড়াও এই চক্রের অন্য সদস্যরা হলেন সুমন, লিটন, মো. ফালান মিয়া, মো. রুবেল, মো. স্বপন কাজী এবং মো. শাওন হোসেন। এর আগে গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে মঈন উদ্দিন একদল লোক নিয়ে ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালে প্রবেশ করেন। 

‎সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, যুবদলের নাম ভাঙিয়ে তিনি সেখানে কর্মকর্তাদের হুমকি দিচ্ছেন এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছেন। মানবিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ডা. কামরুল ইসলাম বিনা পারিশ্রমিকে ২ হাজারের বেশি মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপন করে দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং ২০২২ সালে স্বাধীনতা পদকেও ভূষিত হয়েছেন। এমন একজন ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানে এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনাটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

‎র‍্যাব মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ আরও বলেন, অপরাধীদের রাজনৈতিক বা সামাজিক কোনো পরিচয়ই তাদের রক্ষাকবচ হবে না। ডা. কামরুল ইসলামের মতো দেশবরেণ্য চিকিৎসকের ওপর এমন অনৈতিক চাপ এবং চাঁদা দাবির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা মব বা অরাজক পরিস্থিতি তৈরির মাধ্যমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জিম্মি করার চেষ্টা করেছিলেন। র‍্যাব ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে এবং বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

‎সিকেডি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মঈন উদ্দিন নানাভাবে ডা. কামরুল ইসলামকে হয়রানি করে আসছিলেন। জোরপূর্বক হাসপাতালের জন্য পণ্য সরবরাহ করার প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় তিনি ডা. কামরুলের নামে জনসম্মুখে মিথ্যা কুৎসা রটাতেন। 

‎এমনকি বিএনপি নেতাদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে চিকিৎসক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। শেষ পর্যন্ত র‍্যাবের তড়িৎ হস্তক্ষেপে প্রধান অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হওয়ায় হাসপাতাল এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। র‍্যাব মহাপরিচালক আশ্বস্ত করেছেন যে, জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।

মন্তব্য (০)





image

‎স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, সংসদীয় কূটন...

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান সুসম্পর্ককে আরও শক্তি...

image

‎নববর্ষ উদযাপন ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

নিউজ ডেস্কঃ র‍্যাব মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ বলেছ...

image

আগামী সপ্তাহ থেকে মেডিকেল ও ব্যবসায়ী ভিসা চালু করবে ভারত:...

নিউজ ডেস্কঃ ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে জানিয়ে প্রধ...

image

টিডিএসে “পুলিশের আধুনিকায়নে শহীদ জিয়ার অবদান” শীর্ষক সেমি...

নিজস্ব প্রতিবেদক: ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুল (টিডিএস)-এ ...

image

‎প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের সিইওর সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্...

  • company_logo