ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : আজকাল আমরা সবাই শক্তিশালী থাকতে চাই, কিন্তু ক্লান্তি যেন দৈনন্দিন সঙ্গী হয়ে গেছে। শারীরিক ও মানসিক চাপের কারণে অনেকেই নিজের প্রতি যত্ন নিতে পারছেন না। কোন খাবার শরীরের জন্য উপকারী, কোনটা শক্তি বৃদ্ধি করে—এমন খেয়াল করার সময়ও অনেকের কাছে থাকে না। ক্লান্তি লাগলে অনেকেই দ্রুত এনার্জি ড্রিংকসের দিকে ঝুঁকে পড়েন। যদিও সাময়িক শক্তি পাওয়া যায়, কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদে উপকারী নয়। দীর্ঘস্থায়ী শক্তির জন্য নিয়মিত ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।
ভিটামিন বি-১২:
এটি শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং মনোযোগ ও স্পষ্ট চিন্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মূলত মাংস, ডিম, দুগ্ধজাত খাবারে পাওয়া যায়। নিরামিষাশীদের জন্য সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন হতে পারে।
ভিটামিন ডি:
পেশীর কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে। সূর্যের আলো প্রধান উৎস, তবে শীতকাল বা কম আলো থাকলে সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন হতে পারে।
আয়রন:
আয়রনের অভাবে ক্লান্তি ও দুর্বলতা বাড়ে। গোটা শস্য, মাংস ও মাছ থেকে পাওয়া যায়। প্রয়োজন হলে ডাক্তার আয়রন সাপ্লিমেন্ট সুপারিশ করতে পারেন।
ম্যাগনেসিয়াম:
হাড়, স্নায়ু ও পেশীর সঠিক কার্যকারিতার জন্য জরুরি। অভাবে ঘুম, মেজাজ ও হরমোনের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা ক্লান্তি বাড়ায়।
জিঙ্ক:
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং অঙ্গ-প্রতঙ্গের কার্যকারিতায় সাহায্য করে। অভাবে ক্লান্তি ও ক্ষুধা কমে যেতে পারে।
পটাসিয়াম:
এটি হৃদপেশী ও শরীরের পেশীর কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত না থাকলে শক্তির মাত্রা হ্রাস পায়।
নিউজ ডেস্ক : রমজান মাসে ইফতার কিংবা সেহরির আগে অনেকেই খালি পেটে গ্যাসের ...
নিউজ ডেস্ক : ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার লড়াইয়ে চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় ও খেজুর...
নিউজ ডেস্ক : ইসলাম কারো উপর অন্যায়ভাবে কোনো কর্ম চাপিয়ে দেয় না। শরীরের স...
নিউজ ডেস্ক : নারীদের মধ্যে আয়রনের ঘাটতি অন্যতম সাধারণ পুষ্টিগত সমস্যা। ব...
নিউজ ডেস্ক : ইফতারে শরীরকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখার সহজ উপায় হলো এক গ্লাস...

মন্তব্য (০)