ছবিঃ সংগৃহীত
বিনোদন প্রতিবেদকঃ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী ও সংস্কৃতিসেবী প্রয়াত কস্তুরী চৌধুরীর সৃষ্টি ‘কস্তুরী সংস্কৃতি অনুশীলন কেন্দ্র’। ১৯৯৩ সালে যার যাত্রা শুরু হয়। তার একটি অনুষঙ্গ ‘কস্তুরী বাচিক পাঠশালা’। পথচলার ৩৩ বছর পেরিয়ে ৩৪ এ পড়েছে সংস্কৃতিচর্চার এ প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠাকালে অকুণ্ঠচিত্তে মায়ের কথা স্মরণ করলেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার বিশিষ্ট অভিনয় ও বাচিকশিল্পী সংগীতা চৌধুরী।
সংগীতা বললেন, আমাদের মা রত্নগর্ভা। তিনি আপাদমস্তক একজন সৃজনশীল ও সংস্কৃতিবান্ধব মানুষ। তাঁর উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও পরিচর্যায় সংস্কৃতি অঙ্গনে চার সন্তানের পথচলা। মায়ের দেখানো পথে সকলকে নিয়ে যেনো ছড়িয়ে পড়তে পারি, সে লক্ষ্যে এ বিদ্যাপীঠ এগিয়ে চলছে।
সংগীতা আরও যোগ করলেন, আজ ১৫ মার্চ মায়ের জন্মদিন। বেঁচে থাকলে ৮০ - তে পড়তেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপীঠের সাফল্যে ভীষণ খুশি হতেন। তিনি চেয়েছেন সংস্কৃতির আলো যেন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। আজকের দিনে তাঁকে অনেক মনে পড়ছে।
‘যুক্ত হই নান্দনিক যাত্রায় সৃজনে ও কর্মে’ – স্লোগান ধারণ করে এগিয়ে চলছে কস্তুরী বাচিক পাঠশালা। কস্তুরী মিঠাপাখি, কস্তুরী সুহৃদ ও কস্তুরী পারঙ্গম – এ তিন শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। মিঠাপাখি ৩ থেকে ১৪ বছর, সুহৃদ ১৪ থেকে ২১ বছর ও পারঙ্গম ২২ থেকে যে কোন বয়সের শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারে। জিগাতলা, সেগুনবাগিচা ও আজিমপুরে প্রতিষ্ঠানটির শাখা রয়েছে। মূল শাখা মিরপুর – ২ এর 'নিরুপমা-রাধা-কস্তুরী শিল্পঘরে'।
বিনোদন প্রতিবেদকঃ বিনোদন সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ’র ...
বিনোদন ডেস্ক : ঈদের নাটকে অভিনেতা মোশাররফ করিমের অভিনয় মানেই...
বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় র্যাপা...
বিনোদন প্রতিবেদকঃ ঈদ মানেই এখন শুধু টেলিভিশনের পর্দা নয়, ইউট...
বিনোদন ডেস্ক : পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান সম্প্রতি তার নতুন প্রজেক্...

মন্তব্য (০)