• লিড নিউজ
  • জাতীয়

বিডিআর বিদ্রোহের ১৭ বছরেও শেষ হয়নি দুই মামলার বিচার

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের নামে পিলখানায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ ব্যক্তির হত্যার ঘটনায় দুটি মামলার বিচারকাজ ১৭ বছরেও শেষ হয়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, নতুন করে কাউকে আসামি করতে হলে ফের তদন্ত করে অভিযোগপত্র দিতে হবে। তবে কেউ নিরপরাধ হয়ে থাকলে তাদের জামিন দেয়া উচিত বলে মনে করেন চিফ প্রসিকিউটর।

‎২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআরের সদর দপ্তর পিলখানায় ঘটে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। বিদ্রোহের নামে পিলখানার ভেতরে হত্যা করা হয় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে। ওই দুইদিনে মোট ৭৪ জন নিহত হন।

‎এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ১৫২ জনকে ফাঁসির রায় দেয় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। যাবজ্জীবন কারাদ্ণ্ড দেয়া হয় ১৬১ জনকে আর ১০ বছর করে সাজা পান ২৫৬ জন। খালাস দেয়া হয় ৫৬৮ জনকে।

‎পরে ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর ১৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন হাইকোর্ট । উচ্চ আদালত যাবজ্জীবন দণ্ড দেয় ১৮৫ জনকে। ২০০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা আর খালাস পায় ৪৫ জন। পরে হাইকোর্ট ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে হাইকোর্ট।

‎হত্যা মামলাটি আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। অন্যদিকে বিস্ফোরক মামলা সাড়ে ১৬ বছরেও শেষ হয়নি। বিস্ফোরক হত্যা মামলায় ১ হাজার ৩৪৪ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৩০০ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের পর দুই মামলার প্রায় ২৫০ জন বিভিন্ন সময়ে আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।

‎দায়িত্ব নেয়ার পর পিলখানার হত্যা নিয়ে তদন্ত কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। সেই কমিশন গেলো বছরের পয়লা ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাখিল করেন। এতে শেখ হাসিনা, সাবেক সেনা প্রধান মঈন ইউ আহমেদসহ অনেকের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন।

‎আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এদিকে, বিএনপির নতুন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা নতুন করে তদন্ত করবে সরকার।

‎বিডিআর বিদ্রোহের বিচার কাজের অগ্রগতি নিয়ে নতুন চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় নিরপরাধ ব্যক্তিদের জামিন দেয়া উচিত।

‎তিনি বলেন, ‘প্রায় ১৬ বছর যাবত এ মানুষগুলো জেল-হাজতে আছে। অনেকটা বলা যায় বিনা বিচারে আছে। সরকার যদি মনে করে তদন্ত আরেকবার করতে হবে তবে সেটা হতে পারে। আপনারা দেখেছেন আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটা কমিশন করার কথা বলা হয়েছে। কমিশনের তদন্তের প্রেক্ষিতে যদি নতুন কেউ দোষী হয় তদন্ত সাপেক্ষে সে বিষয়ে বলা যাবে।’

‎দেশের ইতিহাসে এই মামলার আসামির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আর রায়ের পৃষ্ঠার সংখ্যার দিক থেকেও এটি সবচেয়ে বড় রায়। এ ঘটনায় বাহিনীর নিজস্ব আইনে ১০ হাজার ৯৭৩ জনের বিভিন্ন ধরণের সাজা হয়। চাকরিচ্যুত করা হয় ৮ হাজার ৭৫৯জনকে।

মন্তব্য (০)





image

আইজিপি বদলের পরদিনই সরে দাঁড়ালেন ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী

নিউজ ডেস্কঃ নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশা...

image

চলতি বছরের ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা নির্ধারণ

নিউজ ডেস্কঃ ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতর জনপ্রতি সর্বনিম্ন...

image

‎বাংলাদেশ গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ: ব্রিটিশ পার্লামে...

নিউজ ডেস্কঃ সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের গণতন...

image

‎জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসনে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্...

নিউজ ডেস্কঃ জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের যথাযথ পদক্ষেপ নে...

image

‎বইমেলায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সার্বক্ষণিক তদারকি: অতিরিক্ত ...

নিউজ ডেস্কঃ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পর্দা ...

  • company_logo