• লিড নিউজ
  • জাতীয়

‎বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও ভাষা সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার ‎

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

‎নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও ভাষা শিক্ষা সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। ‎শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
‎
‎সাক্ষাৎকালে উভয়ে দুই দেশের শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এসময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন, বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষা ও ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশের যুব সম্প্রদায়কে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
‎
‎বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে চীনা ভাষা ও কারিগরি দক্ষতার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, চীনা ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বিশ্বের অন্তত ১৭টি দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।
‎
‎বৈঠকে আরও জানানো হয়, চীনা ভাষা শিক্ষার প্রসারে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর সাথে যৌথভাবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর বাইরে চলতি বছরই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানানো হয়।
‎
‎ বৈঠকে কারিগরি ও পলিটেকনিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষাসংক্রান্ত ইশতেহারের আলোকে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নতুন পথযাত্রা শুরু করেছে। কারিগরি ও পলিটেকনিক শিক্ষার আধুনিকায়নে আমরা চীনের সাথে যৌথভাবে কাজ করব। শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসমূহের কারিকুলাম ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
‎
‎বৈঠকে চীনা ভাষা শিক্ষার প্রসারে প্রাথমিকভাবে ১৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০০টি স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের প্রস্তাব করে চীনা পক্ষ। পাশাপাশি, ৯টি ব্রডকাস্টিং সেন্টার স্থাপন এবং ল্যাবসমূহে আধুনিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সরবরাহের বিষয়েও আলোচনা হয়। ইতোমধ্যে একটি পাইলট প্রকল্প চালু রয়েছে বলে চীনা পক্ষ থেকে জানানো হয়।
‎
‎বৈঠকে আরও জানানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য একটি আধুনিক হল নির্মাণে সহযোগিতা করতে আগ্রহী চীন। এছাড়া পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক চাহিদাপত্র চীনা পক্ষের কাছে হস্তান্তর করবে।
‎
‎বৈঠকে কারিগরি শিক্ষা ও প্রযুক্তির বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের শিক্ষা ও প্রযুক্তি সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য (০)





image

চার দিনের সরকারি সফরে জাপানে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী

১

‎নিউজ ডেস্কঃ জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত...

image

বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই বাংলাদেশের শক্তি: সংস্কৃতি মন্ত্রী

২

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ...

image

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি'র দ্বি...

৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্...

image

মানসিক সুস্থতায় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সুশিক্ষা ও কর্মসংস্থ...

৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মোঃ ন...

image

শুধু আলোচনা নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে গবেষণার মাধ্যমে দ্রুত ক...

৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফক...

  • company_logo