• লিড নিউজ
  • শিক্ষা

মাতৃভাষায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংকটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষায় মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সাফল্য ‎

  • Lead News
  • শিক্ষা

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ মাতৃভাষায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংকটে এগুচ্ছে না পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষার পাঠদান। সরকার বিনামূল্যে মাতৃভাষার পাঠ্যবই সরবরাহ করলেও- এক দশকেও নেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। পাঠ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরাও। স্ব স্ব মাতৃভাষায় দক্ষ ও বিশেষায়িত শিক্ষক নিয়োগের পুরনো দাবিই উঠে আসছে বারবার।

‎পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে চৌদ্দটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। এদের মধ্যে কোনো কোনো জনগোষ্ঠীর নিজস্ব বর্ণমালা থাকলেও দক্ষ শিক্ষকের অভাবে লিখন-পঠন চর্চার ঘাটতি রয়েছে। শিশুরাও বেড়ে উঠছে নিজস্ব বর্ণমালার সঙ্গে পরিচিতি ছাড়াই। এতে নিজেদের ভাষা ও বর্ণমালা হারাতে বসেছে বেশ কয়েকটি জাতিগোষ্ঠী।

‎অবস্থার পরিবর্তনে ২০১৭ সালে এসব নৃগোষ্ঠীর ‘মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম’ চালু হয়। এতে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা শিশুদের নিজের ভাষায় পড়ালেখার সুযোগ তৈরি হয়। প্রাক-প্রাথমিক থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত নিজস্ব মাতৃভাষার বই চালু করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। তবে গত ১০ বছরেও পরিস্থিতি বদলায়নি।

‎মাতৃভাষার দক্ষ শিক্ষক না থাকায় এসব বই কোনো কাজে আসছে না। কিছু শিক্ষককে ভাষাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কার্যক্রম চালু করা হলেও থমকেই রয়েছে।

‎শিক্ষকরা জানান, এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে পারলে ভালো হবে। এটি শুধু লোক দেখানো চেষ্টা চালানো হচ্ছে, তবে কোনো কাজে আসছে না; বলে দাবি করেন তারা।

‎নৃত্য শিক্ষক সাগরিকরা চাকমা বলেন, ‘মাতৃভাষা শিক্ষা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে হোঁচট খাচ্ছে। সে জায়গাতে গিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হবে। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে।’

‎রাঙামাটি সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানস মুকুল চাকমা বলেন, ‘শিক্ষক আছেন হয়তো বাঙালি, স্টুডেন্ট আছে মারমা, ত্রিপুরা; সেক্ষেত্রে কোনোভাবেই এ প্রক্রিয়া চালু করা যাচ্ছে না।’

‎এদিকে মাতৃভাষায় শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

‎রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার বলেন, ‘এ বছর থেকে বেতন দেয়ার ব্যবস্থা করছি। যাতে তারা বেতন পেয়ে স্বাভাবিকভাবে এ মাতৃভাষার শিক্ষা দিতে পারে।’

‎চলতি শিক্ষাবর্ষে রাঙামাটির ১০ উপজেলায় ৭০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিশুদের মধ্যে ৬২ হাজার ৪২৬টি মাতৃভাষার বই বিতরণ করা হয়েছে। প্রশিক্ষিত শিক্ষকের মাধ্যমে এসব শিশু নিজ মাতৃভাষায় লেখন-পঠনে দক্ষ হয়ে উঠবে এমনটাই প্রত্যাশা।

মন্তব্য (০)





image

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাইয়ের ১ম অ্যাডহক কমিটি গঠিত

নিউজ ডেস্ক : দেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শি...

image

গাঁজা সেবন ইস্যুতে সিনিয়র-জুনিয়র সংঘর্ষ, উত্তপ্ত নজরুল বি...

জাককানইবি প্রতিনিধি: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যাল...

image

‎উচ্চশিক্ষায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ ডিগ্রি বাস্তবায়ন ...

নিউজ ডেস্কঃ উচ্চশিক্ষা খাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ...

image

‎চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দুটি করে নতুন বিষয়: মা...

নিউজ ডেস্কঃ আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিত...

image

শিক্ষাকে আনন্দময় ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ

নিউজ ডেস্কঃ দেশের নতুন প্রজন্মকে মুখস্থনির্ভর পড়াশোনার ...

  • company_logo