ফাইল ছবি
নিউজ ডেস্ক : এনবিআর বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠার জন্য জারি করা অধ্যাদেশটির বৈধতা নিয়ে রিটের শুনানি মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামের নতুন দুটি বিভাগ প্রতিষ্ঠায় গত ১২ মে অধ্যাদেশ জারি করা হয়। অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে তানভীর আহমেদ নামে এক যুগ্মসচিব সম্প্রতি রিটটি দায়ের করেন। সোমবার রিট শুনানির জন্য আদালতের কার্যতালিকায় ২৪ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল ও ব্যারিস্টার মো. নওশাদ জমির। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর পক্ষে ছিলেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ।
হাইকোর্টে রিটটি শুনানি হয়েছে বলে জানান, ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। তিনি যুগান্তরকে বলেন, রিটকারী তানভীর আহমেদ এফিডেভিটে নিজেকে একজন ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করেছেন। শুধু এক জায়গায় বলেছেন তিনি যুগ্মসচিব। জারি করা অধ্যাদেশটির কারণে তার সচিব হওয়ার সম্ভবনা কমে গেছে বলে রিটে উল্লেখ করেছেন তানভীর।
তিনি বলেন, শুনানিতে আমি বলেছি- অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় বিচারবিভাগ আলাদাসহ অনকগুলো অধ্যাদেশ হয়েছে। এনবিআর নিয়ে জারি করা অধ্যাদেশ নিয়ে রুল দেওয়া হলে সকল অধ্যাদেশ চ্যালেঞ্জে পড়বে। এটি সরকারের পলিসি সিদ্ধান্ত, এতে আদালতের হস্তক্ষেপ করা সমীচীন হবে না। আদালত শুনানি শেষে দুই সপ্তাহের জন্য মুলতবি করেছেন। আদালত বলেছেন, যেহেতু সংসদ কার্যকর হচ্ছে, সংসদ বিষয়টি দেখবে।
ব্যারিস্টার ওমর ফারুক বলেন, একই বিষয়ে এর আগে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন আরেক ব্যক্তি। আদালত সেটি খারিজ করেছিলেন, কিন্ত সেটি গোপন করে আবারও রিট দায়ের করা হয়েছে। আগামী দিন আদালতে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ’ শিরোনামের ওই অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাজস্ব নীতি বিভাগ কর আইন প্রয়োগ ও কর আদায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। রাজস্ব সংগ্রহের মূল কাজ করবে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ। রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, সংবিধানের ২৬, ৩১ ও ২৯(১) অনুচ্ছেদের আলোকে ওই অধ্যাদেশটি কেন সাংঘর্ষিক এবং আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছিল। রুল হলে তা বিচারাধীন অবস্থায় রাজস্ব ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি সংস্কার বিষয়ে অংশীজনদের (দলগত) প্রস্তাব প্রকাশ করতে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। রুল বিচারাধীন অবস্থায় ওই অধ্যাদেশের কার্যক্রমও স্থগিত চাওয়া হয়েছিল রিটে।
নিউজ ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ...
নিউজ ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছে...
নিউজ ডেস্ক : প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে আ...
নিউজ ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিদায়ী ভাষণ দিয়ে...
নিউজ ডেস্ক : গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে বাংলাদেশ ‘জাতীয় ...

মন্তব্য (০)