ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে দুটি ভিন্ন কৌলশ নিয়ে এগোচ্ছে ইরান। এর মধ্যে একটি কূটনৈতিক আলোচনা, অপরটি যেকোনো আগ্রসনের নজিরবিহীন কঠোর জবাবের জন্য প্রস্তুতি। এরই অংশ হিসেবে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
ইরান এক দ্বিমুখী কৌশলের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। একদিকে যখন দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন দফার পরমাণু আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন, অন্যদিকে ঠিক সেই মুহূর্তেই হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে সামরিক মহড়া শুরু করেছে তেহরান।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ওই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার পরপরই আইআরজিসি হরমুজ প্রণালীতে নৌ-মহড়া শুরু করে। আইআরজিসির ঊর্ধ্বতন কমান্ডারদের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে এই মহড়া পরিচালিত হচ্ছে।
এই যুদ্ধ মহড়ার সময়সীমা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বলছে, এর লক্ষ্য হলো প্রণালীতে ‘সম্ভাব্য নিরাপত্তা ও সামরিক হুমকি’ মোকাবিলায় গার্ড বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা।
ইরানের কট্টরপন্থী রাজনীতিকরা বারবার এই প্রণালীটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন। এটি এমন একটি কৌশলগত পানিপথ যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আইআরজিসি প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা বাড়ানো। আইআরজিসি হলো ইরানের সামরিক বাহিনীর একটি আদর্শিক শাখা।
নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরুর প্রেক্ষাপটেই এই সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রথম দফার বৈঠকের পর তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জেনেভায় আরাকচি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। তেহরান এবং জাতিসংঘের এই পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থার মধ্যে দীর্ঘদিনের শীতল সম্পর্কের পর এই বৈঠককে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) আরাকচি লিখেছেন, ‘আমি একটি ন্যায্য ও সমতাপূর্ণ চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য বাস্তবসম্মত ধারণা নিয়ে জেনেভায় এসেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটি বিষয় আলোচনার টেবিলে নেই, আর তা হলো হুমকির মুখে নতি স্বীকার করা।’
সূত্র: গালফ নিউজ।
নিউজ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক চাঞ্চল্য...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হিমালয়ের এভারেস্ট অঞ্চলে বিদেশি পর্য...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী ...
নিউজ ডেস্কঃ মিয়ানমারের ‘জান্তা প্রধান’ জেনারেল ম...
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি ব...

মন্তব্য (০)