• লিড নিউজ
  • জাতীয়

সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে কোস্ট গার্ডের অবদান আগামীতে আরো বিস্তৃত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

  • Lead News
  • জাতীয়

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আশা প্রকাশ করে বলেছেন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারকরণ ও জাতীয় মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের অবদান আগামী দিনগুলোতে আরো বিস্তৃত ও কার্যকর হবে।


‎আজ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

‎মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যরা সততা, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে।’

‎বাণীতে তিনি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে এ বাহিনীর সর্বস্তরের সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

‎প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯৫ সালে ‘গার্ডিয়ান অফ সি’ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সাগর ভিত্তিক অর্থনীতির সুরক্ষা ও উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশের সার্বভৌম জলসীমা সংরক্ষণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করে।

‎তিনি বলেন, সীমিত জনবল ও জলযান নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে সময়ের পরিক্রমায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৌশলগত দক্ষতা অর্জন এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড একটি পূর্ণাঙ্গ বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

‎মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান ও মানবপাচার দমন, মাদক প্রতিরোধ, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, অভয়ারণ্য বাস্তবায়ন এবং জাটকা ও ইলিশ রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ভূমিকা প্রশংসনীয়। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে এ বাহিনী দ্রুততা ও পেশাদারিত্বের সাথে সেবা প্রদান করে থাকে।

‎তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তীকালে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ সর্বসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ডের ভূমিকার জন্য এ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।

‎বাণীতে তিনি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

মন্তব্য (০)





  • company_logo