• লিড নিউজ
  • জাতীয়

নির্বাচনের তফসিলের পর হত্যা: টিআইবির প্রতিবেদনের জবাব দিল সরকার

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ১৫ রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে বলে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), সেই তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

‎আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির প্রতিবেদনের জবাব দেওয়া হয়।

‎প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টিআইবি বলেছে যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৩৬ দিনে ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী নিহত হয়েছেন। তবে এই সংখ্যাটি দ্রুতই যাচাই ছাড়াই আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে। এ তথ্য পুনরাবৃত্তির আগে সতর্ক পর্যালোচনার দাবি রাখে।

‎বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী ওই সময়ের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে মাত্র পাঁচটির সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক পরিচয় বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র পাওয়া যায়। এসব ঘটনার একটি ছিল ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড, যিনি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন।

‎প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই নিন্দনীয় উল্লেখ করে বলা হয়, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ছিল বিশেষভাবে নৃশংস এবং তা একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক সময়ে ভয় ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে ঘটানো হয়েছিল। তবে দেশজুড়ে প্রতিশোধমূলক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েনি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়নি।

‎এতে আরও বলা হয়, টিআইবির উপস্থাপনায় প্রেক্ষাপটের ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা নতুন কিছু নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ছয়জন নিহত হন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে নিহতের সংখ্যা ছিল ২২। আর ২০১৪ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণ হারান অন্তত ১১৫ জন। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমান প্রাক–নির্বাচনি সময়কে নিরাপত্তা ভাঙনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

‎সরকারি তথ্য ও টিআইবির পরিসংখ্যানের পার্থক্য নিয়ে বলা হয়েছে, এটি কোনো গোপনীয়তা নয়; বরং মৃত্যুর শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে মতভেদ। টিআইবি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত যে কোনো ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডকে নির্বাচন–সম্পর্কিত হিসেবে গণনা করেছে, যদিও হত্যার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের প্রমাণ নেই। অন্যদিকে সরকার কেবল সেসব মৃত্যুকেই নির্বাচন–সম্পর্কিত হিসেবে বিবেচনা করছে, যেগুলোর সঙ্গে সরাসরি ও প্রমাণযোগ্য নির্বাচনি সম্পৃক্ততা রয়েছে।

‎তবে এতে স্বীকার করা হয়েছে, জননিরাপত্তা এখনও পুরোপুরি নিখুঁত অবস্থায় নেই। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাবিত পুলিশিং ও অপব্যবহারের কারণে জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণেই একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি ওঠে।

‎অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অপসারণ বা সাময়িক বরখাস্ত, বিশেষ ইউনিটগুলোর ভূমিকা পর্যালোচনা, গুম ও নির্যাতনের মামলায় ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু এবং সমাবেশ ও নির্বাচনী সময়ের পুলিশি আচরণবিধি জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

‎ওসমান হাদি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের মতো আবেগঘন ও ব্যতিক্রমী বড় সমাবেশগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়াকে নতুন বাস্তবতার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

‎সরকারি মহল বলছে, কোনো সরকারই সহিংসতার সব ঝুঁকি পুরোপুরি ঠেকাতে পারে না, বিশেষ করে যখন প্রভাবশালী পক্ষগুলো অস্থিতিশীলতার আহ্বান জানায়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের মতো নয়—নিরাপত্তা বাহিনী নজরদারিতে রয়েছে, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ সহযোগিতা করছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মাঠে আছেন।

মন্তব্য (০)





image

বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা ফের যাচ্ছে সরকারের হাতে

নিউজ ডেস্ক : বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা ফের যাচ্ছে সরকারের হাতে। গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যা...

image

জুলাই সনদ বিএনপি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে চায়: চিফ হুইপ

নিউজ ডেস্ক : বিএনপি গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে এবং ...

image

মির্জা আব্বাসকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর

নিউজ ডেস্কঃ সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি স্...

image

লালমনিরহাটে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার নির্বাচন প্রাক্কালে দেওয়া...

image

শান্তিরক্ষায় অবদানের জন্য জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য হতে সম্মাননা ...

নিউজ ডেস্কঃ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রশংসনীয় অবদানের...

  • company_logo