• তথ্য ও প্রযুক্তি

যে ৪ উপায়ে সুরক্ষিত রাখবেন সামাজিক মাধ্যম

  • তথ্য ও প্রযুক্তি

ছবিঃ সংগৃহীত

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : সামাজিক মাধ্যম কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়—এটি একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম। এখানে উঠেছে ব্যক্তিগত তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার। আর সেই ভাণ্ডারেই সুযোগ খুঁজে নিচ্ছে অনলাইন প্রতারকরা। আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তারা অনায়াসে খুব সহজেই সংগ্রহ করে নিতে পারে। সেসব তথ্য ব্যবহার করে তারা আপনার পরিচয়ে প্রতারণা, ফিশিং লিংক পাঠানো বা রোমান্স স্ক্যাম চালিয়ে যায়। সামাজিক মাধ্যম সুরক্ষায় তাই আপনার সতর্ক থাকা উচিত।

অনেকের জন্য সামাজিক মাধ্যম পেশাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কেউ হয়তো ক্যারিয়ার গড়তে চান, আবার কেউ নতুন বন্ধু বানাতে চান। এসব উদ্দেশ্যে পাবলিক পোস্ট করা যায়, তবে ব্যক্তিগত জীবনের অনেক তথ্য গোপন রাখাই ভালো। সুতরাং যে কোনো পোস্ট করার আগে কয়েকটি প্রশ্ন করা উচিত। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন—

১. আপনার পোস্টটি কার জন্য? যদি কেবল নিজের জন্যই লিখে থাকেন, তবে প্রকাশ্যে শেয়ার না করে ব্যক্তিগতভাবে রাখাই ভালো।

২. আপনার পোস্টটি কি সবাই দেখবে? অনলাইনে কিছুই ‘শূন্যে হারিয়ে যায়’ না। লাইক বা কমেন্ট না পেলেও অনেকেই আপনার পোস্ট দেখছেন। অপরিচিতরাও এসব তথ্য ব্যবহার করে আপনার সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারে। এ তথ্য ব্যবহার করে প্রতারণার ফাঁদ পাততে পারে।

৩. এই পোস্টটি আজীবন আপনার সঙ্গে কি রাখতে চান? মনে রাখবেন, ইন্টারনেটে কিছু একবার প্রকাশ পেলে তা মুছে ফেলা খুবই কঠিন। তাই পোস্ট দেওয়ার আগে একবার ভাবুন— এই লেখা কিংবা ছবি ভবিষ্যতে আপনার জন্য বিব্রতকর হতে পারে কিনা।

৪. পোস্ট দেওয়ার পরে আপনি কী লাভ করবেন, আর কী হারাতে পারেন—সেটি ভেবে দেখুন। ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করলে আপনি হারাতে পারেন আপনার গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও অজ্ঞাতনামা থাকার সুযোগ।

আপনি যদি নিয়মিত কিছু শেয়ার করতে চান, তবে পাবলিক পোস্টের বদলে নিরাপদ মেসেজিং অ্যাপের গ্রুপ চ্যাটে শেয়ার করুন। যেমন— ‘সিগন্যাল’ অ্যাপে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে নিরাপদে যোগাযোগ করা যায় এবং স্টোরি বা ফিড শেয়ার করার সুবিধাও আছে।

চলুন জেনে নিই সামাজিক মাধ্যম সুরক্ষার চারটি ধাপ—

১. প্রাইভেসি সেটিংস

আপনি প্রাইভেসি সেটিংস পরিবর্তন করুন। প্রথমেই আপনার প্রোফাইলটি পাবলিক থেকে প্রাইভেটে করুন। নির্ধারণ করুন কে আপনার পোস্ট, ছবি বা ভিডিও দেখতে পারবে। আর ফেসবুকের প্রাইভেসি চেকআপ ও অফ-ফেসবুক একটিভিটি টুল ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন— কে আপনার পোস্টে যুক্ত হতে পারবে।

২. অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলুন

আপনার ব্যবহার না করা অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলুন। যে অ্যাকাউন্টগুলো আপনি আর ব্যবহার করেন না, সেগুলো ডিলিট করে দিন। কারণ ফাঁকা বা নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের টার্গেটে পরিণত হয়। আপনার পুরোনো ছবি ও তথ্য ব্যবহার করে তারা প্রতারণা চালাতে পারে।

৩. পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন

পাসওয়ার্ড সিকিউরড একটি ব্যাপার। সব প্ল্যাটফর্মে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। আপনার প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড রাখুন ব্যবহার করা উচিত। সেজন্য এসব নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন।

৪. মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন

আর মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করুন। এই অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে এটি সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা। লগইন করার সময় পাসওয়ার্ড ছাড়াও একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা কোড বা ডিভাইস ভেরিফিকেশন লাগে, যা প্রতারকদের হাত থেকে আপনার তথ্য সুরক্ষা করবে।

মন্তব্য (০)





image

দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েব সংস্...

image

ফেসবুকে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা মেটা

নিউজ ডেস্কঃ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে...

image

ভিডিও শেয়ারিং সহজ করতে ইউটিউবের নতুন ফিচার উন্মোচন

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব আবারও অ্যাপের ভে...

image

ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারি বাড়াচ্ছে ফেসবুক, অ্যালগরিদমে আ...

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : ব্যবহারকারীদের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের অভি...

image

ভিডিও শেয়ারিং সহজ করতে ইউটিউবের নতুন ফিচার উন্মোচন

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব আবারও অ্যাপের ভে...

  • company_logo